কন্টেন্ট মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের কাছে “কন্টেন্ট মার্কেটিং” এই টার্মটা বেশ পরিচিত। ইনবাউন্ড মার্কেটিং এর প্রায় পুরাটা জুড়েই কন্টেন্ট মার্কেটিং এর খেলা। কিন্তু আসলে এই কন্টেন্ট মার্কেটিং জিনিসটা কি এই নিয়ে অনেকের মনেই অনেক প্রশ্ন থাকে।
শাব্দিক অর্থে কন্টেন্টের মাধ্যমে মার্কেটিং করাকেই কন্টেন্ট মার্কেটিং বলা উচিত । কিন্তু কন্টেন্ট বলতে তো আমরা মার্কেটিংএর সব ধরনের বিষয়বস্তুকেই বুঝে থাকি। যেমন আর্টিকেল, ইমেজ, অডিও, ভিডিও সব। এই কন্টেন্টগুলার মাঝে কিছু কন্টেন্ট সরাসরি অ্যাডসের জন্য বানানো হয় যেন দ্রুত কনভার্সন আসে,কিছু বানানো হয় ইউজারদের সচেতন করার জন্য, আবার কিছু কন্টেন্ট থাকে বিভিন্ন ব্যাপারে ইনফরমেশন দেয়ার জন্য, কিছু কন্টেন্ট থাকে কোম্পানি কিংবা কাস্টমারদের নিয়ে।

          কনটেন্ট মার্কেটিং

কন্টেন্ট মার্কেটিং

এগুলার মাঝে কন্টেন্ট মার্কেটিং কে একটু আলাদাভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। “টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে ইনফরমেটিভ কন্টেন্ট পৌছিয়ে দেয়ার মাধ্যমে তাদেরকে ব্র্যান্ডের প্রতি আকৃষ্ট করাই কন্টেন্ট মার্কেটিং।”আরও সহজভাবে বললে ,কন্টেন্ট মার্কেটিং হলো, আপনার প্রোডাক্ট বা অফার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে টার্গেট অডিয়েন্সকে এঙ্গেজ করাকেই কন্টেন্ট মার্কেটিং বলে।

অনলাইন মার্কেটগুলোতে অনেক কলাকৌশল অবলম্বন করতে হয় তার মধ্যে কন্টেন্ট মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয়।কারন ব্যবসার ভাবমূর্তি ধরে রাখতে,ব্যবসা বাড়াতে, ক্রেতা ধরে রাখতে,অন্য যেকোনো পদ্ধতির চাইতে কন্টেন্ট মার্কেটিং অনেক বেশী কার্যকর। কনটেন্ট মার্কেটিং করতে ভালো কনটেন্ট প্রয়োজন হবে। পন্য কিংবা সেবাকে কেন্দ্র করে দরকারী ও গুরত্বপূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ কনটেন্ট তৈরি করে তার বিভিন্ন কৌশলে পাঠকের কাছে পৌছে দেয়ার পর পাঠকে কন্টেণ্টের সাথে সম্পৃক্ত করাই কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের উদ্দেশ্য। ভিডিও, ছবি, টুইট, ই-বুক, ইনফোগ্রাফি ইত্যাদি কন্টেন্ট এর মাধ্যমে একজন ভোক্তাকে সহজে প্রভাবিত করা যায় কন্টেন্ট মার্কেটপ্লেস।

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার

কনটেন্ট মার্কেটিং শুরু করার কয়েকটি ধাপ

১। গ্রাহক এর সম্পর্কে ধারণা তৈরি করাঃ একজনগ্রাহক এর কি পছন্দ কোন ধরনের কন্টেন্ট এর উপর তারা বেশি আগ্রহী কি ধরনের কন্টেন্ট তারা মিডিয়াতে শেয়ার করে সে সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে হবে।

২।কন্টেন্ট এর ঘাটতি বের করাঃ আপনার বাংলা কন্টেন্ট লেখার কোন জায়গায় ঘাটতি রয়েছে সেগুলো বের করতে হবে। কন্টেন্ট এর যেকোন ঘাটতি বের করার জন্য কয়েকটি নিয়ম মেনে চললে কন্টেন্ট এর ঘাটতি বের করা যাবে। যেমনঃ
-কি ধরনের কন্টেন্ট ভালো শেয়ার হয়েছে?
-কারা ভালো কন্টেন্ট তৈরি করে আর কিভাবে
তারা সেই কন্টেন্টগুলো প্রচার করে?
-আপনার গ্রাহক কি ধরনের কন্টেন্ট খুজে?

৩। ভালো কনটেন্ট তৈরি করাঃ কন্টেন্ট এর ঘাটতি বের করার পরে মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য হলো ভালোভাবে পরিকল্পনা করে সুন্দর কন্টেন্ট তৈরি করা।যদিও পরিকল্পনা করা বেশ কঠিন বিষয়।অনেক গুলো বিষয় বিবেচনায় করেই কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।
যেমনঃ -কনটেন্ট এর টাইটেল কেমন হবে?
-কে কনটেন্ট তৈরি করবে?
-কোন ধরনের কন্টেন্ট তৈরি করা হবে? যেমন: ভিডিও নাকি ছবি দিয়ে তৈরি হবে ইত্যাদি জিনিস মাথায় রাখতে হবে।
কনটেন্টে কিভাবে “কলটুএকশন” ব্যবহার হবে এবং কি ধরনের কলটুএকসন( ফরম পূরন, নিউজলেটের নিবন্ধন, ফোন কল , ক্রয় ইত্যাদি) হবে।

৪। ভালো সময় নির্ধারন করুনঃ আপনার ব্যবসার ধরন অনুযায়ী যারা আপনার সাম্ভাব্য গ্রাহকরা কখন অনলাইন এ সময় দেয়, কিভাবে ইণ্টারনেট ব্যবহার করে, কোন ধরনের ওয়েবসাইট এ তারা লগ ইন করে সে সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারনা তৈরি করতে হবে। তারপর তৈরি করা কনটেন্ট সঠিক সময়ে প্রচার করতে হবে।

৫। ধৈর্য্য থাকতে হবেঃ আপনাকে ধৈর্য্যের সাথে কাজ করতে হবে।সহজে আশা ছেড়ে দিলে চলবে না।ধৈর্য্যের সাথে নিয়মিত কাজ চালিয়ে গেলে ধীরে ধীরে ফলাফল ভাল হতে শুরু করবে।

যেকোনো বিজনেসের ক্ষেত্রে কন্টেন্ট মার্কেটিং একটি অপরিহার্য অংশ। বেশিরভাগ মানুষ মনে করে যে বেশি লিড কালেক্ট করাই কন্টেন্ট মার্কেটিং স্ট্রাটেজির সফল অংশ কিন্তু মান সম্মত কন্টেন্ট মার্কেটিং এর জন্য আপনার নিজেকে ইন্ডাস্ট্রিতে ভাল অবস্থানে স্থাপন করাটাও কিন্তু জুরুরি। এছাড়াও আর অনেক বিষয় আছে যেগুলাতে আপনার কন্টেন্ট মার্কেটিং স্ট্রাটেজিকে নিয়ে যাবে অন্য অবস্থানে। আসুন তাহলে আলোচনা করা যাক কি কি বিষয়ের দিকে আমাদের নজর দেওয়া উচিত।

১।আপনার ইমেইল ইনবক্স থেকে টপিক খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন :

যখন একটি বিজনেস চলে তখন ওই বিজনেসের উদ্যোক্তা কে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রশ্ন, মন্তব্য তথা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়, এদের মধ্যে কিছু আবার পুনরায় ঘুরে ফিরে একই রকম, আপনার নিজের বিজনেসের এর ক্ষেত্রে এখানে সুযোগ হল, একটা সময় যখন আপনি খেয়াল করলেন, আপনার ক্লায়েন্ট এবং কাস্টমারদের সামনে বার বার একইধরনের প্রশ্নোত্তরের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তখন ওই বিষয় গুলিকে একটি ব্লগ পোস্টে কনভার্ট করে ফেলুন।এগুলিকে নিয়ে আবার FAQ (Frequently asked questions) এ অন্তর্ভুক্ত করে রাখুন, এটা আপনার কোম্পানিকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে ফুটিয়ে তুলবে।ভোক্তাদের মূল্যবান তথ্য দেবার চেষ্টা করুন, এবং দেখান যে আপনার বিজনেসের চাইতে তাদের প্রয়োজন এবং উদ্বেগ এর বিষয় গুলি নিয়ে আপনার মাথাব্যাথা বেশি।

২।আপনার পোস্টে ভিডিও এড করুন :

বিভিন্ন কেস স্টাডি থেকে দেখা যায় ভিডিও ছাড়া ব্লগগুলির চাইতে যে সকল ব্লগে ভিডিও রয়েছে সেগুলাতে হিট শেয়ারের পরিমাণ কয়েক গুন বেশি।ভিডিওর মাধ্যমে আপনার পোস্ট গুলিতে অডিয়েন্স বেশি এনগেজ হবে কারণ, কন্টেন্ট গুলি উপভোগ এর জন্য ভিডিও একটি অত্যাবশ্যকীয় ব্যাপার।আর অডিয়েন্স কে পোস্ট এ বেশি এঙ্গেজ করানোর জন্য ভিডিও হল সর্বত্তম একটি পন্থা।

৩।যদি ভিডিও না থাকে তবে কিছু ভিডিও তৈরি করুন :

ভিডিও তৈরি করতে চাইলে আপনি যে কোন ভিডিও তৈরি করতে পারবেন কিন্তু বিজনেস এর ক্ষেত্রে আপনাকে চিন্তা করতে হবে আপনার সাইটের টপিক এর উপর।চিন্তা করে দেখুন, আপনার কোম্পানি বাইরের অন্য কোন কোম্পানি থেকে কোন সার্ভিসটি ভোক্তাদের কে বেশি দিতে পারবে? আপনার কোন দক্ষতা কে কাজে লাগিয়ে অন্যদের থেকে মানুষের কাছে বেশি নিজেকে তুলে ধরতে পারবেন, আর সেগুলা ভিডিও এর মাধ্যমে প্রকাশ করবেন অবশ্যই।আপনার ব্লগ পোস্টের চাইতে ভিডিওর মাধ্যমে অডিয়েন্স কে সহজে পরিচালনা করতে পারবেন।

৪।একটি Who-to-Follow লিস্ট তৈরি করুন :

মানুষ জানে যে আপনি আপনার ফিল্ডে একজন এক্সপার্ট কিন্তু যখন আপনি সেইম ফিল্ডের অন্যান্য বস লেভেলের লোকজন দের ও রেফার করে কন্টেন্ট তৈরি করবেন তখন মানুষ মনে করবে যে না, আপনি শুধু মার্কেটিং এর জন্যই আসেন নি বরং পাশে দাঁড়ানোর জন্য অন্যান্য রিসোর্স ও দিচ্ছেন এতে করে আপনি সকলের কাছে আরেকটু বিশ্বাস যোগ্য হয়ে উঠতে পারছেন।এই কাজ তার মাধ্যমে আপনার দুইটা লাভ হবে প্রথমত, ভোক্তাদের কাছে আপনি একটি বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ভাণ্ডার হিসাবে প্রশংসিত হবেন দ্বিতীয়ত, আপনি যাদের লিঙ্ক দিয়ে রেফার করছেন তারাও আপনার প্রতি একটি পজিটিভ ধারনা নিয়ে আসবে কারণ আপনি তাদেরকে ট্রাফিক দিচ্ছেন, এবং তারাও আপনার এই অনুগ্রহ কে ফিরিয়ে দেবার চেষ্টা করবে তাদের কাজের মাধ্যমে।মানে তাদের কাছ থেকেও আপনি ট্রাফিক পাবার একটা সম্ভাবনা তৈরি হবে।

বিজনেস প্রসার এর ক্ষেত্রে সব থেকে বড় উপকারী দিক হল একই ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য দের মধ্যে ভাল একটি রিলেশনশিপ বন্ধন তৈরি করা।

৫।এমন এগিয়ে যান যেটা আপনার মিশনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে :

মানুষ সর্বদা নতুন কিছু শিখতে ভালবাসে, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। এজন্য আপনাকে প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন বিষয়ের সম্মুখিন হতে হবে।

সুতরাং কাস্টমারদের প্রয়োজনের তাগিদে আপনাকে সেসকল বিষয় সম্পর্কে নিজেকেও জানতে হবে আবার তাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এতে যা হবে তা হল, সবার কাছে আপনার কোম্পানির আলাদা একটা রেপুটেশন তৈরি হবে যে, আপনি সবার কৌতুহলের প্রতি সচেতন।

৬।বিভিন্ন ধরনের কাহিনীমূলক গল্প প্রণয়ন করুন আর সেগুলো পজিটিভলি তুলে ধরুন :

কেউ যদি অ্যাপল কিংবা সুবারু এর অ্যাড দেখে থাকেন তাইলে বুঝতে পারবেন যে তারা কিভাবে প্রতিটি বিজ্ঞাপনে বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ গল্পগুলো দ্বারা একটি ব্যাবসায়িক বিজ্ঞাপন তৈরি করে ফেলেছে এবং সেটা তাদের অডিয়েন্স কে ও ভাল ভাবে যোগান দিচ্ছে।নিজের কোম্পানি সম্পর্কে একটু সময় নিয়ে ভাবুন এবং বিবেচনা করুন যে আপনার কোম্পানির কোন বিষয়টিকে আপনি কাজে লাগিয়ে আপনার মিশনের দিকে আগাতে পারবেন।আর সেই সব ধারনা গুলিকে কন্টেন্ট এর ভিতরে কনভার্ট করুন।

মনে করি, আপনি একটি লাইফস্টাইল পণ্য বিক্রয় করেন, আপনি আপনার পণ্য ব্যবহার এর বিভিন্ন উপকারীটা, স্বাচ্ছন্দ্য, এবং নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয় গুলি তুলে ধরুন মানুষের কাছে।সব সময় চেষ্টা করবেন ক্রেতাদের চোখের সামনে এমন কোন আকর্ষক গল্প উপস্থাপন করার যা তাদের হৃদয়ে ঢুকে যাবে।

৭।কাস্টমারদের প্রশ্ন গুলি এড়িয়ে যাবেন না কোনভাবেই :

একজন ক্রেতা যখন একটা পণ্য ক্রয় করতে চায় তার আগে বেশিরভাগ এইটা সম্পর্কে জানার জন্য ইন্টারনেট এর সাহায্য নেয়। গুগল এ যে কোন বিষয় সার্চ দেবার পর হাজার হাজার উত্তর এসে পড়ে, এক্ষেত্রে ওইসকল উত্তর গুলোর মধ্যে যদি আপনার কোম্পানির দেওয়া উত্তর ও থাকে তাইলে ব্যাপারটা কতটা পজিটিভ একটা ফায়দা নিয়ে আসতে পারে! আর আপনার পণ্য কিন্তু আপনার এগুলাতে কোন অ্যাক্টিভিটি নাই, সেক্ষেত্রে আপনার কোম্পানির জন্য বড় ধরনের একটা শূন্যস্থান তৈরি হয়ে আছে।

কন্টেন্ট এর এইযুগে শুধু মাত্র ভাল পণ্য থাকাই কিন্তু যথেষ্ট নয়।মানুষ একটা জিনিস দেখার পরে আগে সেটার উপর নির্ভরশিল হতে হবে তারপর না হয় কেনার সিদ্ধান্ত নিবে।আর তার জন্য যা করতে হবে তা হল, কোম্পানিকেই এই অথোরিটি টা তৈরি করতে হবে যাতে তাদেরকে অন্য কোথাও না যেতে হয়।মানুষের প্রশ্নগুলিকে যাচাই করে চেষ্টা করুন যে উত্তর গুলি ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে দেওয়া যায় কিনা।এটা করলে আপনার নিজেকে এক্সপার্ট হিসাবে উপস্থাপন করা হবে আর সেই সাথে সেলস বাড়ার সম্ভাবনাও দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।

৮।বিভিন্ন অফারের জন্য নির্দিষ্ট ধার্য করুন :

যেখানে এত এত কোম্পানি ভোক্তাদের প্রতিনিয়ত ইমেইল সাইন আপ কিংবা ব্লগ সাবস্ক্রিপশন এর মাধ্যমে প্রচুর সুযোগ সুবিধা প্রদানের অফার করছে, সেখানে খুব কম সংখ্যক ই আছে যারা নির্দিষ্ট সময় ধার্য করে কোন অফার করে।আমার দেখা একটি ইংরেজি লাইফস্টাইল ব্লগ http://fourhourworkweek.com/blog/ আছে যেখানে এই কাজটি করে এবং তার ফলাফল ও কিন্তু অবিশ্বাস্য।

এভাবে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে যদি পডকাস্ট, ওয়েবিনার, ভিডিও কনফারেন্স প্রভৃতির মাধ্যমে মানুষকে ইনভাইট করেন আর সেগুলার মাধ্যমে একটি স্ট্রং রিলেশন তৈরি করে ফেলতে পারেন তবে সেটা হবে আপনার ওই ইমেইল সাবস্ক্রিপশন এর চাইতে হাজার গুনে বেশি লাভজনক।

৯।প্রথমে প্রমোশন করুন :

যখন একটি কোম্পানি একটি পণ্যের ডিজাইন করে তখন প্রথম শর্ত হল তাদেরকে আগে শিউর হতে হবে যে মার্কেটে ওই প্রোডাক্ট এর ডিমান্ড আছে কিনা, যদি না থাকে তবে ওই পণ্যটি তৈরি এবং বাজারজাতকরন সবই হবে সময় এবং অর্থের বিশাল ক্ষতি।বিশ্বাস করুন বা নাই করুন কন্টেন্ট এর ক্ষেত্রেও ব্যাপার তা একইরকম।

সুতরাং ফলপ্রসু কন্টেন্ট মার্কেটিং এর জন্য আপনাকে কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট এর আগে চিন্তা করতে হবে কিভাবে আপনি সেটার মার্কেটিং করবেন।মার্কেটে এসে যদি নিজের একটি অবস্থান তৈরি করতে না পারেন তাইলে আপনার পরিশ্রমের কোন মূল্য নাই।

১০।নিজেকে কমিউনিটির মধ্যে প্রতিস্থাপন করুন :

বর্তমানে অনলাইনে শতাধিক বড় বর কমিউনিটি, ফোরাম ইত্যাদি রয়েছে যেগুলাতে নির্দিষ্ট টপিকের উপর প্রতিনিয়ত আলোচনা করা হয়।এগুলার মধ্যে রেডিট সবচেয়ে ভাল।এরকম কিছু কমিউনিটি খুঁজে বেড় করুন যা আপনার বিজনেস রিলেটেড এবং সেগুলাতে নিয়মিত হোন।

যখন এসকল ফোরাম বা কমিউনিটিতে অংশগ্রহণ করছেন তখন মানুষকে বেশি তথ্য পাবার উৎস হিসাবে আপনার ব্লগ রেফার করুন।পরবর্তিতে যখন এই ফিল্ডে আপনার একটা অথোরিটি তৈরি হবে তখন নিজেও আরও বেশি নিতুন নতুন বিষয় জানতে পারবেন এবং ক্রেতাদের চাহিদা সম্পর্কে আপনার ধারনা আগের থেকে উচ্চ পর্যায়ে বৃদ্ধি পাবে।

১১।স্লাইড শেয়ারে বিভিন্ন দৃষ্টি নন্দন কন্টেন্ট পোস্ট করুন :

স্লাইড শেয়ার একটি জনপ্রিয় ভিজুয়াল কন্টেন্ট শেয়ারিং সাইট।অনেকেই এটা সম্পর্কে জানে।পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন, পিডিএফ, কি-নোট, ওপেন ডকুমেন্ট প্রেজেন্টেশন ইত্যাদি শেয়ারিং জন্য একটি উৎকৃষ্ট প্লাটফর্ম।এটাকে আপনি স্লাইডের ইউটিউব বলতে পারেন।

স্লাইডশেয়ারে একবার কন্টেন্ট পোস্ট করলে আপনার মার্কেটিং এর কোন সীমা নাই।এখান থেকে ইউজার রা আপনার কন্টেন্ট শেয়ার, রি-শেয়ার, এবং অন্যান্য প্লাটফর্ম এ লিঙ্ক শেয়ার করতে পারে ইচ্ছামত। যেমন লিঙ্কডিন, ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস যা থেকে ট্রাফিক আসবে প্রচুর।

১২।পিন্টারেস্ট এর ব্যবহার করুন :

সোশ্যাল মিডিয়া হিসাবে আমরা প্রায়ই পিন্টারেস্ট একটু উপেক্ষা করে যাই, কিন্তু এখানে আপনার জন্য এমন সুযোগ আগে যা আপনার বিজনেস কে আরও কয়েক ধাপ উপরে নিয়ে যেতে পারে।কারণ এখানে মিলিয়ন মিলিয়ন ইউজার আছে যারা বেশিরভাগ সময় অ্যাক্টিভ থাকে।

সব সময়ের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুনঃ ? The Next Web BD


content marketing,content marketing strategy,content marketing examples,content marketing definition,
content marketing manager,content marketing agency,content marketing plan,content marketing world 2019,
কন্টেন্ট মার্কেটিং কি,content marketing a pr,content marketing a,content marketing a seo,content marketing a/b testing,content marketing a review of academic literature and future research directions,a content marketing,a content marketing strategy that works,content marketing i social media,content marketing ecommerce,contentmarketing e storytelling,content marketing ebook,content marketing e seo,content marketing e native advertising,content marketing i social media pdf,content marketing i social media. jak ,e-content marketing,content marketing usa,content marketing y redes sociales ,কনটেন্ট মার্কেটিং কি,content marketing o conteúdo que gera resultados,content marketing কি,the content marketing matrix ,content marketing to e-commerce,content marketing on facebook,content marketing on instagram,bd next web,বিডি নেক্সট ওয়েব,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *