ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা বাংলাদেশ

বর্তমান সময়ে ক্রেডিট কার্ড অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ক্রেডিট কার্ড হচ্ছে গ্রাহকদের প্রতি ব্যাংক কিংবা অন্য যে কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দ্বারা ইস্যুকৃত একটা কার্ড এর আরেক নাম হল পেমেন্ট কার্ড। এটি কার্ড দিয়ে কম বেশি সব ধরণের পেমেন্ট দেয়া যায়। এই পেমেন্টটা দেয়া হয় মূলত ব্যাংকের ফান্ড থেকে। মূলত গ্রাহক এই টাকা টি ব্যাংকের কাছ থেকে ধার হিসেবে পেয়ে থাকেন। তবে, এই ধারটা গ্রাহককে আবার পরবর্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শোধ করে দিতে হয়। আপনি যদি এই কার্ডের জন্য আবেদন করে চান তাহলে আপনাকে ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। চলুন জেনে আসি কোন কোন যোগ্যতা থাকলে আপনি ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা

ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা

সাধারণত ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী বা অন্য পেশাজীবী, যাঁদের বেশ আয় আছে এবং যাঁরা বৈধ কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন), তাঁরাই ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, একটি ক্রেডিট কার্ডের লিমিট বা টাকা খরচ করার সর্বোচ্চ সীমা পাঁচ লাখ টাকা। কিন্তু গ্রাহকের মাসিক আয়ের ভিত্তিতে এ সীমা নির্ধারিত করা হয়। ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য নির্ধারিত কিছু দরকারী কাগজপত্র এবং যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন নিম্নে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলঃ

চাকুরী জিবী হলে যে যোগ্যতা ও কাগজপত্র থাকা প্রয়োজনঃ

– স্যালারী সার্টিফিকেট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট(৬ মাসের/তিন মাসের) থাকতে হবে,

কমপক্ষে ৬ মাসের স্যালারী ব্যাংকে জমা রাখতে হবে,

একই কোম্পানীতে কমপক্ষে ৬ মাস চাকরি করতে হবে,

মাসিক বেতন সর্বনিম্ন ৩০ হাজার টাকার বেশি হতে হবে,

টিন সার্টিফিকেট (টিআইএন) থাকতে হবে,

ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখাতে হবে,

যে কোন একজন কলিক বা আত্মীয়ের রেফারেন্স দিতে হবে।

 

ব্যাবসায়ী হলে যে যোগ্যতা ও কাগজপত্র থাকা প্রয়োজনঃ

এক বছেরের ব্যাংক ট্রাঞ্জাংকশন থাকতে হবে,

টিন সার্টিফিকেট (টিআইএন) থাকতে হবে,

স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে,

ট্রেড লাইসেন্স দেখাতে হবে,

ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখাতে হবে,

কমপক্ষে ১০ লাখ টাকার লেনদেন দেখাতে হবে,

যে কোন একজন কলিক বা আত্মীয়ের রেফারেন্স দিতে হবে।

 

পেশাজীবী হলে যে যোগ্যতা ও কাগজপত্র থাকা প্রয়োজনঃ

ডাক্তার ইঞ্জিনীয়ার কিংবা উকিল হলে এসবের লাইসেন্সের কপি দেখাতে হবে।

এছাড়াও সবার ক্ষেত্রেই দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, নমিনীর ছবি দিতে হবে,

বাসার বিদ্যুৎ বিলের কপি কিংবা পানি বা গ্যাস বিলের কপি দেখাতে হবে,

ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখাতে হবে,

যে কোন একজন কলিক বা আত্মীয়ের রেফারেন্স দিতে হবে।

 

আপনার সকল কাগজপত্র ও যোগ্যতা ঠিক ঠাক থাকলে, আপনার কাছে একজন ব্যাংক প্রতিনীধি আসবেন এবং আপনার তথ্য দিয়ে একটি ফর্ম পূরন করবে তারপর আপনার একটি স্বাক্ষর নিবে। এছাড়াও সিআইবি রিপোর্ট লাগে যা ব্যাংক তুলে নিবে। আপনার কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরে, ব্যাংকটি আপনার প্রোফাইলটি দেখবে এবং আপনার জন্য ক্রেডিট লিমিট/ ঋণের সীমা নির্ধারণ করবে। তৃতীয় পক্ষ আপনাকে যাচাই করার জন্য নিয়োগ দেবে। আপনি কেবলমাত্র ক্রেডিট কার্ডের জন্য মনোনীত হবেন যদি তারা আপনার বাড়ি এবং আপনার অফিস যাচাই করে এবং আপনাকে সমর্থন করে। এটাই বর্তমানে নির্ভরযোগ্য ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার উপায়


ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা বাংলাদেশ, ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার উপায়, ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার শর্ত, ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা, ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার নিয়ম,

 

Leave a Comment