তথ্য ভাণ্ডারস্বাস্থ্য কর্নার

দাঁতের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

একাধিক কারণে দাঁতগুলি নিস্তেজ হয়ে যায় এবং তাদের উজ্জ্বল, সাদা ঝলমলে দাত ক্ষতি গ্রস্ত হয়।নির্দিষ্ট খাবারগুলি আপনার এনামেলকে দাগ তৈরি করতে পারে যা আপনার দাঁতের বাইরের স্তর কারাপ দেখাতে পারে। অতিরিক্তভাবে, আপনার দাঁতে দাগ তৈরির ফলে এগুলি হলুদ দেখাতে পারে।আমাদের অনেককেই দাঁত হলুদ হওয়ার কারণে অনেক সময় বিব্রত হতে হয়। ফলে প্রাণ খুলে কথা কিংবা হাসতে একটু শঙ্কা কাজ করে।নানা কারণে দাঁতে এই হলুদ দাগ দেখা দিতে পারে, যেমন দাঁতের অযত্ন, তামাক সেবন, নিয়মিত ওষুধ সেবন, পান মশলা কিংবা মদ্যপানের কারণে এই হলুদ দাগ দেখা দেয়।দাঁত হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা নানা উপায়ে দাঁতের স্বাভাবিক শুভ্রতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। নানা ধরনের টুথপেস্ট, টুথপাউডার, অনেক রকমের কৌশল তাঁরা এজন্য প্রয়োগ করে থাকেন। কিন্তু কোনটাতেই খুব সুফল মেলে না।সে কারণে,দাঁতের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায় ও  প্রাকৃতিকভাবে দাঁত সাদা করার উপায় নিয়ে আলোচনা করলাম।

দাঁতের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

দাঁতের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

নিয়মিত ব্রাশ করাঃ
আমারা অনেকে প্রতিদিন সকাল ছাড়া ব্রাশ করিনা ।তবে এটা একদম ঠিক না।দাত  সুস্থ রাখাতে হলে নিয়মিত ব্রাশ করুন। কোন কোন গবেষনায় গবেষকরা ২ বার আবার কোনটিতে ৩ বার ব্রাশ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সাধারণভাবে, ঘুম থেকে উঠে নাস্তা খাওয়ার আগে ও ঘুমোতে যাবার আগে ব্রাশ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। দাঁত বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবার খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ করাটা আপনার দাঁতের জন্য ভালো নয় কারণ এটি এনামেলের স্তরকে দুর্বল করে দেয় বা এনামেলকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে বা তুলে ফেলতে পারে। এর ফলে দাঁত অতিরিক্ত স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে ও শিরশিরে অনুভূতি হয়।দাঁতের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায় হচ্ছে খাবার খাওয়ার কমপক্ষে ১ ঘণ্টা পর দাঁত ব্রাশ করা। তবে ১ ঘণ্টা পর ব্রাশ করার নিয়মটা ভুলে যাবেন না।ভুলে গেলে দাত গুলি ক্ষতি গ্রস্ত হবে।

দাতে নারকেল তেল ব্যবহারঃ 
নারকেল তেল আপনার দাত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।এক চামচ নারতেল তেল মুখের মধ্যে নিন তারপর পাঁচ মিনিট দাঁত ব্রাশ করুন। এরপর কুলি করে ফেলুন। কিছুক্ষন পরেই আপনি নিজে এর ফলাফল দেখতে পাবেন।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খানঃ
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে। এসব খাবার ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ।ক্যালসিয়াম দাতকে শক্ত ও উজ্জল করতে সাহায্য করে। পনির দুধ-জাতীয় আরেকটি উন্নত খাবার যা মুখে লালার নিঃসরণ বাড়ায় এবং মুখ ও দাঁত পরিষ্কার রাখে। দইয়ের প্রোবায়োটিক মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখে।

ফলমূল ও শাকসবজি খানঃ
ব্রাশ করার কোনও বিকল্প না থাকলেও কাঁচা ফল এবং শাকসবজি আপনার চিবাবার সময় ফলক ঘষনে সহায়তা করতে পারে।স্ট্রবেরি এবং আনারস এমন দুটি ফল যা আপনার দাঁত সাদা করার জন্য খুব উপকারি।স্ট্রবেরি এবং বেকিং সোডা মিশ্রণ দিয়ে আপনার দাঁত সাদা করা একটি প্রাকৃতিক প্রতিকার যা খ্যাতিমান ব্যক্তিরা এটি ব্যবহার করেছেন।স্ট্রবেরিগুলিতে পাওয়া ম্যালিক অ্যাসিড আপনার দাঁতে বর্ণহীনতা দূর করবে। স্ট্রবেরিগুলি আপনার দাঁতগুলিকে উত্সাহিত করতে এবং আরও সাদা দেখাতে সহায়তা করে।আনারস দাঁত সাদা করার জন্য খুব উপকারি।একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে আনারস পাওয়া ব্রোমেলিনযুক্ত একটি টুথপেষ্ট একটি স্ট্যান্ডার্ড টুথপেস্টের তুলনায় দাঁতের দাগ দূর করতে উল্লেখযোগ্যভাবে কার্যকর ছিল।

আপেল সিডার ভিনেগার ব্যাবহারঃ
আপেল সিডার ভিনেগারে এসিটিক এসিড, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম থাকে যা খারাপ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং দাঁতে জমে থাকা প্লেগ বিনষ্ট করে। এতে থাকা পটাশিয়াম দাঁতের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে।আপেল সিডার ভিনেগার দাঁতে লাগিয়ে দুই মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এতে দাঁত হয়ে উঠবে সুন্দর এবং পরিষ্কার।এক গবেষণায় দেখা গেছে যে আপেল সিডার ভিনেগার একটি ব্লিচিং প্রভাব প্রদর্শন করে।ভিনেগারের এসিটিক অ্যাসিড আপনার দাঁতে এনামেলটি ক্ষয় করার সম্ভাবনা রাখে। এই কারণে, আপনার প্রতিদিন অ্যাপল সিডার ভিনেগার ব্যবহার করা উচিত নয়।

হাইড্রোজেন পারক্সাইড ব্যবহারঃ
হাইড্রোজেন পারক্সাইড হ’ল একটি প্রাকৃতিক ব্লিচিং এজেন্ট যা আপনার মুখের ব্যাকটেরিয়াকেও মেরে ফেলে।দাতের উজ্জলতা ও ব্যাকটিরিয়া মারার ক্ষমতার কারণে লোকেরা ক্ষতগুলি জীবাণুমুক্ত করার জন্য কয়েক বছর ধরে হাইড্রোজেন পারক্সাইড ব্যবহার করে আসছে।হাইড্রোজেন পারক্সাইড ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি দাতকে আরো উজ্জল ও সুন্দর করতে পারেন ।

কিছু খাবার সীমাবদ্ধ করুনঃ
কফি, লাল ওয়াইন, সোডা এবং ক্যাট বেরি দাঁতে দাগ হওয়ার জন্য কুখ্যাত।আপনাকে এগুলি পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে হবে, তবে আপনার দাঁতগুলির সাথে এই পদার্থগুলির যোগাযোগের পরিমাণ সীমাবদ্ধ করা উচিত। এই খাবারগুলি বা পানীয়গুলি গ্রহণের সাথে সাথেই দাঁতগুলি ব্রাশ করুন।ধূমপান এবং তামাক এড়িয়ে চলুন, কারণ উভয়ই দাঁতের বিকৃতকরণের কারণ হতে পারে।আপনার চিনির গ্রহণ সীমিত করুন ,চিনির উচ্চমাত্রার ডায়েট স্ট্রেপ্টোকোকাস মিউট্যান্সের বৃদ্ধিকে সমর্থন করে, প্রাথমিক ধরণের ব্যাকটিরিয়া যা প্লাক এবং জিঞ্জিভাইটিসের কারণ হয় ।আপনি যখন মিষ্টিজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন, খুব শীঘ্রই আপনার দাঁত ব্রাশ করতে ভুলবেন না।

লবণ প্রয়োগঃ
লবণ দাঁতের কোন ক্ষতি করে না। লবণ দাঁত সাদা করতেও সাহায্য করে।এবং যখন দাঁতে বা শরীরের যেকোন জায়গায় ব্যাথা হয় লবণ সেই ব্যাথা কমিয়ে দেয়।সকালে ও রাতে দাঁত ব্রাশ করার পর দাঁতে লবণ প্রয়োগ করুন।


দাঁতের কালো দাগ দূর করার উপায় ,দাঁতের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায় bdnextweb ,দাঁত উঁচু চিকিৎসা ,দাঁত ওয়াশ ,দাঁত ও মাড়ির যত্ন ,দাঁত সাদা করার ঔষধ ,দাঁত কেন হলুদ হয় ,দাঁত ক্ষয় হলে কি করনীয় ,দাঁত ব্যথার ঘরোয়া সমাধান ,দাঁত ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা , দাঁত ব্যথার ঘরোয়া উপায় ,দাঁত ব্যাথার ঘরোয়া চিকিৎসা ,দাঁত চিকিৎসা ,দন্ত চিকিৎসা ,দন্ত চিকিৎসক ,দাঁত ঝকঝকে রাখার উপায় ,দাঁত ঝকঝকে করার সহজ উপায় ,দাঁত ঝকঝকে ,দাঁতের যত্ন ,দাঁতের ব্যথা ,দাঁতের চিকিৎসা ,ঝকঝকে দাঁত পাওয়ার উপায় ,দাঁত একদম সাদা ঝকঝকে ,দাঁত ফর্সা করার উপায় ,দাঁত ভালো রাখার উপায় ,দাঁত ভালো রাখার খাবার ,দাঁত মাজার সঠিক নিয়ম ,দাঁত মজবুত রাখার উপায় ,দাঁত মেজে ,দাঁত মাজা ,দাঁত মাজার ,দাঁত রোগ ,দাঁত লাল হয় কেন ,দাঁত শক্ত করার উপায় ,দাঁত সুস্থ রাখার উপায় ,দাঁত সাদা করার উপায় ,দাঁত সাদা করা ,দাঁত হলুদ হয় কেন ,দাঁত হলুদ হওয়ার কারণ ,দাঁত হলুদ ,

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close