ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়

ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) এর অর্থ হলো স্বাধীন বা মুক্তপেশা। অন্যভাবে বলা যায়, নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করা কে ফ্রিল্যান্সিং বলে। ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে কাজ করা লোকেরা স্বনির্ভর (self-employed) থাকেন। তাই, ফ্রিল্যান্সিং এর মানেই হলো স্বাধীন ভাবে কাজ করা বা মুক্তপেশা। এটাও এক ধরণের ব্যবসাও বলা যায়।

ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইটের মাধ্যমে, এই ফ্রিল্যান্সাররা বিভিন্ন ধরনের কাজ, প্রকল্প বা পরিষেবা দিয়ে থাকে, যা তারা তাদের ক্লায়েন্টদের জন্য বরাদ্দকৃত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে এবং, তাদের ক্লায়েন্টরা কাজ বা প্রকল্প সম্পূর্ণ করার জন্য তাদের কিছু নগদ অর্থ প্রদান করে এটাই হলো ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সিং করে মুক্ত পেশাজীবীরা ঘরে বসেই তাদের কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়

ফ্রিল্যান্সিং এ কি করা যায়? আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন এমন অসংখ্য কাজ আছে। কিন্তু আপনাকে সব কাজ অনলাইনেই করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি করা যায় তার একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা নিচে দেওয়া হলঃ

তবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জনপ্রিয় ৫ টি কাজঃ

  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • ওয়েব ও গ্রাফিক ডিজাইন
  • কন্টেন্ট রাইটিং
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  • সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

আমরা উপরের বিষয় ছাড়া ও  আমরা অনেক ধরনের ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে পারি। নিম্নে ফ্রিল্যান্সিং এ করা যায় এমন কিছু বিষয় নিচে দেওয়া হলঃ

  1. 3D Artist
  2. Academic Writer
  3. Accountant
  4. Advertising Copywriter
  5. App Developer
  6. Architect
  7. Article Writer
  8. Artist
  9. Blog Writer
  10. Book Designer
  11. Book Editor
  12. Bookkeeper
  13. Business Analyst
  14. Business Writer
  15. C Programmer
  16. CAD Designer
  17. Comic Artist
  18. Commercial Writer
  19. Computer Programmer
  20. Concept Artist
  21. Content Writer
  22. Copyeditor
  23. Copywriter
  24. Creative Director
  25. Drupal Developer
  26. php Developer
  27. Electrical Engineer
  28. Fashion Designer
  29. Fashion Stylist
  30. Fiction Editor
  31. Film Editor
  32. Flash Designer
  33. Game Developer
  34. Grant Writer
  35. Graphic Designer
  36. Health Writer
  37. Industrial Design
  38. Interior Designer
  39. Interpreter
  40. IT Consultant
  41. Legal Writer
  42. Logo Designer
  43. Magazine Writer
  44. Marketing Consultant
  45. Media Buyer
  46. Medical Editor
  47. Medical Transcription
  48. The Medical Writer
  49. Motion Graphics
  50. Personal Assistant
  51. Photo Editor
  52. Photo Retouching
  53. Product Designer
  54. Professional Services
  55. Project Manager
  56. Public Relations
  57. Science Editor
  58. Science Writer
  59. SEO Consultant
  60. Software Developer
  61. Sports Writer
  62. Tech Support
  63. Technical Writer
  64. Textile Designer
  65. Travel Writer
  66. Video Editor
  67. Virtual Assistant
  68. Visual Merchandiser
  69. web Designer

ফ্রিল্যান্সিং করতে দক্ষতাঃ 

আসলে, এটি শুরু করতে অনেক কিছু লাগে না। আপনার প্রথম যে জিনিসটি প্রয়োজন সেটি হলো ইচ্ছাশক্তি এবং ধৈর্য। এগুলো থাকলে আপনি তাৎক্ষণিকভাবে এই সেক্টরে সফল হবেন। এছাড়াও, আপনার ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করার জন্য এবং ইংরেজি কীভাবে পরিচালনা করতে হয় তা জানতে আপনার দক্ষতার প্রয়োজন হবে। ভালো ইন্টারনেট সম্পর্কিত ধারণা এবং গুগল এবং ইউটিউব থেকে বিভিন্ন রিসোর্স খুঁজে পাওয়ার ক্ষমতা আপনাকে এক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করবে। এগুলিই আপনাকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য যোগ্য করে তুলবে। বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী রয়েছে। সেখান থেকেও সাহায্য নিতে পারেন। প্রথম কাজ পাওয়া গেলে আপনার কাজের অভাব নেই। তবে এর জন্য আপনাকে আপনার কাজের মান বজায় রাখতে হবে, আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধাঃ 

আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী সময়মত কাজ করতে পারবেন। এর সবকিছুই আপনার উপর নির্ভর করে। আপনি যদি এখন কাজ করতে না চান তবে কেউ আপনাকে এখন কাজ করতে বাধ্য করবে না।

আপনি আপনার নিজের কাজ পছন্দ করতে পারেন। আপনি আপনার পছন্দের কাজটি বেছে নিতে পারেন এবং আপনি যতক্ষণ চান সেই কাজটি করতে পারেন।

আপনি আপনার নিজস্ব পেমেন্ট হার পছন্দ করতে পারেন। প্রায় প্রতিটি মার্কেটপ্লেসের নিজস্ব অর্থপ্রদানের হার নির্দিষ্ট করার সুযোগ রয়েছে। এখানে আপনি আপনার জন্য উপযুক্ত একটি কাজ করবেন এবং অর্থ পাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে আপনি নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করতে পারেন। এক্ষেত্রেও ক্লায়েন্ট বা প্রতিষ্ঠান পছন্দ সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করে এবং একক ভাবে কাজের পাশাপাশি এখানে আপনারা দলগত কাজেরও সুযোগ পেয়ে যাবেন।

আপনি এই চাকরিটি ফুল টাইম নিতে পারেন এবং পার্ট টাইম হিসাবেও কাজ করতে পারেন। তাই আপনি একজন ছাত্র থাকাকালীনও কোনো ঝামেলা ছাড়াই এটি করতে পারেন।

আপনি চাইলেই নিজের ইচ্ছা মতো ওয়ার্কস্টেশন বানিয়ে নিতে পারবেন কাজ করার জন্য। আপনার কাজের জায়গা আপনি নিজেই তৈরি করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কারা করেঃ

ফ্রিল্যান্সিং শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে অর্থ উপার্জনের একটি দুর্দান্ত উপায়। পড়াশোনার পাশাপাশি, তারা অর্থ উপার্জনের জন্য বেশ কিছু জিনিস শিখতে পারে, যেমন একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলার নিয়ম, ইউটিউবে ভিডিও প্রকাশের নিয়ম, কীভাবে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে হয় এবং কীভাবে একটি ফেসবুক পেজ চালাতে হয়। আপনি যদি এই কাজগুলি শিখেন তবে আপনি ফাইবার সহ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে প্রচুর চাকরি পাবেন। এগুলো আসলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অংশ। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে এগুলো আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। তাই এখনই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে এগুলো শিখুন এবং ভালো অর্থ উপার্যন করুন।

বিঃদ্রঃ  আপনার যদি আরো কিছু জানার থাকে, সেক্ষেত্রে কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ কি, ফ্রিল্যান্সিং কি ধরনের কাজ করে, freelancing kaj ki, ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কি, ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা হয়, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কি কি, ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কি প্রয়োজন, ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা,

Leave a Comment