বিট কপির উপকারিতা-বিটরুট এর উপকারিতা

শরীর ফিট বা ঠিক রাখতে চাইলে খাদ্যতালিকায় বিট কপি রাখতে পারেন। এছাড়া শরীরে ক্ষতিকর উপাদান বা বিষমুক্ত করার বিশেষ উপাদান আছে বিট কপিতে। আমরা অনেকেই বিট কফির গুণাগুণ না জানার কারণেই হয়তো সবার কাছে বিটের কদর নেই। তাই চলুন জেনে আসি বিট কপির উপকারিতা বিটরুট এর উপকারিতা সম্পর্কে সকল তথ্য ও বিস্তারিত।

বিট কপির পুষ্টগুন:

নং পুষ্টগুন
ভিটামিন এ
ভিটামিন বি৬
 ভিটামিন সি
আয়রন,
পটাশিয়াম,
ম্যাগনেশিয়াম,
নাইট্রেট

বিট কপির উপকারিতা

বিট কপির উপকারিতা

আজ আমরা চলুন বিট কপির উপকারিতা ও গুনাগুন সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে আসি,

১.  বিট কপি রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। কারণ বিটে রয়েছে অতিমাত্রায় নাইট্রেটস। মুখে থাকা ব্যক্টেরিয়ার সংস্পর্শে এসে এই নাইট্রেট মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে।

২. লিভার ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। ফাস্টফুড, স্পাইসিতে অভ্যস্ত জীবনে এমনিতেই লিভারের অবস্থা সঙ্গিন। বিটের জুসে থাকা বেটাইন নামে এক উপাদান কিন্তু লিভার ফাংশান ভালো করে। লিভার থেকে টক্সিন বের করে দেয়।

৩. ঋতুচক্রের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে সময়ের আগেই মেনোপজের লক্ষণ দেখা দিলে বা ঋতুচক্র সংক্রান্ত কোনও সমস্যা হলে বিটের জুস খান। বিটে থাকা আয়রণ নতুন লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহায্য করে। যার ফলে ঋতুচক্রের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৪. ক্যানসারের ভালো করতে সাহায্য করে। বিটের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-টিউমার গুণ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কোষের হাত থেকে সুস্থ কোষগুলোকে বাঁচায়। নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে।

৫. রক্তচাপ কমাতে করতে সাহায্য করে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন, দিনে অন্তত দু-গ্লাস বিটের জুস খান। বিটে থাকা উচ্চ মাত্রার নাইট্রেট রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে।

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে করতে সাহায্য করে। বিট হল হাই অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। ফলে শরীর থেকে টক্সিন বের করতেও কাজে দেয়।

৭. কোষ্ঠকাঠিন্যেও কোমাতে সাহায্য করে। যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, উচিত বেশি করে বিটের জুস খাওয়া। বিপাকের সমস্যা দূর করে হজমশক্তি বাড়ায়। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর হয়।

৮. রক্তাল্পতা ও আয়রন ঘাটতিত রোগ করতে সাহায্য করে। বিটে প্রচুর আয়রন থাকে, যা লোহিত রক্তকণিকার জন্য অত্যন্ত জরুরি উপাদান। যে কারণে রক্তাল্পতায় যাঁরা ভুগছেন, বা যাঁদের আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, এই শীতে বেশি করে বিট খাওয়া উচিত।

৯. পেশিশক্তি বাড়াতে করতে সাহায্য করে। মাসল ফোলাতে রোজ জিমে যাচ্ছেন? তা ভালো, সঙ্গে নিয়ম করে বিটের জুস খান। তার কারণ বিট পেশিশক্তি বাড়ায়।

১০. ত্বকে জেল্লা আনে সাহায্য করে। বিটের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-এজিং ফর্মুলা। ফলে, ত্বক থেকে বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে নিয়ম করে এই শীতে বিট জুস খান। ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও দূর করে। জেল্লাও আসে।

১১. ডিপ্রেশন দূর করতে সাহায্য করে। কোনও কারণে ডিপ্রেশনে ভুগছেন? বিষণ্ণতা আপনাকে গ্রাস করছে? এই শীতে বিট জুসই হতে পারে সেরা প্রাকৃতিক ওষুধ। বিটে ট্রিপ্টোফান ও বিটেইন নামে যে উপাদান থাকে, তা ডিপ্রেশন কাটাতে ভালো কাজ দেয়।

১২. জন্মগত ত্রুটি দূর করে এই বিট কপি। বিট রুটের মধ্যে রয়েছে ফোলেট ও ফলিক অ্যাসিড। যার কাজ হল জন্মগত ত্রুতি দূর করা। যে কারণে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের বিট জুস খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা।

 

বিটরুট এর উপকারিতা

আজ আমরা চলুন বিট কপির অউপকারিতা ও গুনাগুন সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে আসি,

বিটরুট বশি পরিমানে খেলে আপনার সমস্যা হতে পারে। কারণ বেশি কোন জিনিই ভালনা বেশি পরিমানে খেলে আপনার বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

১) যাদের এলার্জি আছে তারা বেশি খাবেন না তাহলে আপনার এলার্জি বৃদ্ধই পেতে পারে।

২) বেশি পরিমানে ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম থাকে তাই আপনি বেশি খেলে আপনার কিডনির সমস্যা হতে পারে।

৩) বেশি খেলে আপনার পেটে ব্যাথা ও হতে পারে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.