রমজান মাসের ফজিলত ও মর্যাদা

আরবি বারো মাসের মধ্যে রমজান হলো নবম মাস। অন্যান্য মাসের তুলনায় এটি সবচেয়ে সম্মানীত সর্বশ্রেষ্ঠ মাস। আরবি মাস সমূহের মধ্যে সবচেয়ে রমজান মাসের ফজিলত ও মর্যাদা ,গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য অপরিসীম। জীবনের সব গোনাহ থেকে পরিত্রাণ ও পবিত্র হওয়ার সুবর্ণ সূযোগ হল রমজান মাস। এই মাসটি কোরআন নাযিলের মাস। বিভিন্ন রহমত-বরকত নিয়ে হাজির হয় পবিত্র এই মাহে রমজান।

রমজান মাসের ফজিলত ও মর্যাদা

রমজান মাসের ফজিলত ও মর্যাদা

রমজান মাসের প্রতিটি মুহূর্ত মানব জীবনের সেরা সময়। আনুগত্য ও নেকি বৃদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর কাছে নিজেকে  উৎসর্গ করার মাস হল রমজান মাস।এটি আল্লাহর কাছে নিজেকে সুন্দর করার মাস। রমজান মাসে সকল ধরণের ইবাদতের ফজিলত অন্যান্য মাসের তুলনায় অনেক বেশি। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে এ মাসের  ফজিলত ও মর্যাদাবোধ সম্পর্কে বনর্ণা করা হয়েছে।

রমজান মাসের ফজিলতঃ

১) রোজা পালনের মাস।

২) কুরআন নাজিলের মাস।

৩) লাইলাতুল কদরের মাস।

৪) জাহান্নামের দরজা বন্ধ করার মাস।

৫) জাহান্নামিদের মুক্তিদানের মাস।

৬) গোনাহ মাফ হওয়ার মাস।

৭) জান্নাতে লাভের মাস।

৮) হজের সওয়াব লাভের মাস।

৯) ইফতার করানোর মাস ।

১০) দোয়া কবুলের মাস।

১১) শহীদের সমমর্যাদা লাভের মাস ।

১২) গোনাহসমূহের কাফফারার মাস।

 

রোজা পালনঃ এই রমজান মাস জুড়ে রোজা পালন করা ফরজ। জীবনের সব গোনাহ থেকে পবিত্র হওয়ার সুবর্ণ সূযোগ হল রমজান মাস।

কুরআন নাজিলঃ রমজান মাসেই পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, এই কারণে রহমতের বার্তাবাহী বলা হয় এই মাসকে।

লাইলাতুল কদরঃ  লাইলাতুল কদর হল এ মাসের আরো একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য। লাইলাতুল কদরের রাতটি হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম বলা হয়। রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় যে কোন রাতে এই লাইলাতুল কদর হয়। এই রাতে মানুষের পাপসমূহ ক্ষমা করা হয়।

জাহান্নামিদের মুক্তিদানঃ নবী করিম সা: বলেছেন, রমজান মাস আগমন করলে জাহান্নামিদের মুক্তি করে দেয়া হয়।

গোনাহ মাফঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রোজা পালন করবে তার পেছনের সমস্ত গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবে আশায় লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তারও পেছনের সমস্ত গোনাহ মাফ হয়ে যায়।

জান্নাতে লাভঃ যে ব্যক্তি এই মাসে গুনহা মাফ করে। অন্যদের উত্তম ও ভালো কথা বলে, মানুষকে খাবার দান করে, নিয়মিত রোজা পালন করে এবং অন্য মানুষ যখন রাত্রে ঘুমিয়ে থাকে তখন সে নামাজ আদায় করে , এই সকল ব্যাক্তিদের রোজার মাধ্যমে জান্নাতে সম্মান বৃদ্ধি ঘটে।

হজের সওয়াব লাভঃ এই মাসে কোন ভাল কাজ করলে তাকে সেই অন্য মাসের তুলনাই ৭০গুন বেশি সুয়াব তার আমল নামায় লেখা হয়। রমজান মাসে উমরা পালন করা অন্য মাসে হজ পালন করার সমান সওয়াব।

 


রমজান মাসের ফজিলত ও গুরুত্ব, রমজান মাসের ফজিলত সম্পর্কে, রোজার মাসের ফজিলত, পবিত্র রমজান মাসের ফজিলত, রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত, রমজান মাসে দান করার ফজিলত, রমজান মাসে ওমরাহ করার ফজিলত, রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমল, রমজান মাসে দানের ফজিলত, মাহে রমজান মাসের ফজিলত, রমজান মাসে রোজা রাখার ফজিলত, রমজান মাসের রোজার ফজিলত,

Leave a Comment