যশোর জেলার জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান সমুহ জানুন! (ছোট থেকে বড় সকল স্পট)

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত খুলনা বিভাগের অন্তর্গত যশোর জেলা। যার পুর্বে বানান ছিলো Jessore. পরে পরিবর্তন করে Jashore করা হয়। প্রাচীনতম যশোর জেলাতে ভ্রমনের জন্য বেশ কিছু স্পট রয়েছে। যশোর জেলার জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান সমুহ নিয়ে আজকের পোস্টটা সাজানো হয়েছে। সাথে রয়েছে কিছু হিডেন ছোট ছোট জায়াগায় বর্ননা। সাতক্ষীরা জেলার দর্শনীয় স্থান সমুহ ও লুকায়িত স্পট সম্পর্কেও জানতে পারেন।

যশোর জেলার দর্শনীয় স্থান সমুহ

১.মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি সাগরদাঁড়ি যশোর

যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতে মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান ও বাড়ি। দত্তকে বাংলা সনেটের জনকও বলা হয়। মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ির আশপাশকে মধুপল্লী নামেও ডাকা হয়। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মধুপল্লীকে ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছে।

মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মদিনে  সপ্তাহব্যাপী “মধু মেলা” অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। মাইকেল মধুসূদন দত্তের মধুপল্লিতে কবির কয়েকটি ভবন, কবির সময়য়ের কিছু পুকুরঘাট এবং কবির ব্যাবহৃত জিনিসপত্র। এসব মিলিয়ে দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপত্তা বলয় বেষ্টিত যাদুঘরে রুপান্তর করা হয়েছে।

২.যশোরের গদখালী : বাংলাদেশের ফুলের রাজধানী

বাংলাদেশের ফুলের চাহিদার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পূরণ করে থাকে যশোরের গদখালি। এছাড়া বিদেশেও রপ্তানি হয় যশোরের ফুল। গদখালিকে বাংলাদেশের ফুলের রাজধানী বা ফুলের রাজ্য হিসেবেও অনেকে ডেকে থাকে। জেনে অনাক হবেন যে গদখালীতে বছরে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা মূল্যের ফুল কেনা বেচা হয়।

ঝিকরগাছা ও শার্শা উপজেলার প্রায় ১০০ টি গ্রামে গোলাপ, গ্লাডিওলা, রজনীগন্ধা, জারবার , জিপসি, রডস্টিক, কেলেনডোলা, চন্দ্রমল্লিকা, অর্কিড এবং গাঁদা। এসব গ্রাম থেকে গদখালী বাজারে আনা হয় পাইকারি বিক্রি করার জন্য। প্রতিদিনই গদখালী, পানিসারা মোড় ও আশপাশের এলাকায় অসংখ্য দর্শনার্থী ভিড় করেন।

৩. যশোরের ঝাপা বাওড় ও ভাসমান সেতু

যশোরে কোন বড় নদী নেই তবে কিছু বাওড় রয়েছে। স্বচ্ছ স্থির জলের উপর আকাশ, নৌকা কিংবা ভাসমান সেতু আপনাকে নিয়ে যাবে কল্পনার রাজ্যে। বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম উপজেলা যশোরের মনিরামপুর থানার রাজগঞ্জের পাশে ঝাপা বাওড় ও ভাসমান সেতু অবস্থিত।

প্রায় ৬৫০ একর নিয়ে ঝাপা বাওড় বিস্তৃত।  ১৩০০ ফুট লম্বা দুটি ভাসমান সেতু রয়েছে ঝাপাতে। দুই গ্রামের মানুষ ও ছোট যানবাহন চলাচল করতে পারে।

৪. যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর

বেনাপোল বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত একটি পৌরশহর ও স্থলবন্দর।  বেনাপোলের বিপরীতে ভারতীয় অংশে এটি পেট্রাপোল নামে পরিচিত। বেনাপোল চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন অফিস হয়েছে। বিশ্বমানের রোড ছাড়াও পাশেই রয়েছে রেইল লাইন যা সরাসরি ভারতের মধ্যে প্রবেশ করেছে।

যশোর পর্যটন স্থান

৫. জেস গার্ডেন পার্ক

৬.বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক

৭. যশোর কালেক্টরেট ভবন

৮. হাজী মহসিনের ইমাম বড়

৯. চাঁচড়া শিব মন্দির

১০.  ভরত রাজার দেউল

১১. জোড়া শিব মন্দির

১২. বিএএফ জাদুঘর ও পার্ক

১৩. যশোর বিমান বন্দর

১৪. বুকভরা বাওড়

১৫. কেশবপুর শেখপুরা  ৩ গম্বুজ মসজিদ

১৬. মির্জানগর হাম্মামখানা

১৭. চাঁচড়া রাজবাড়ী

১৮. চাঁচড়ার মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্র

১৯. তুলা বীজ বর্ধন খামার

২০. দমদম পীরের ডিবি

২১. ধীরাজ ভট্টাচার্যের বাড়ি

২২. বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের মাজার

২৩. যশোর বোট ক্লাব পার্ক

২৪.হনুমান গ্রাম – কেশবপুর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *